যেভাবে জিরো থেকে হলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর?
একটা যেমন-তেমন ডিভাইস দিয়ে শুরু করেছিলেন যাত্রা। ৬-৭ ঘন্টা লেগে যেত ভিডিও রেন্ডার হতে। আর্থিক টানাপোড়েনে সঙ্গী বানালেন নিজের মা আর বড় ভাইকে। অনেক কিছুতেই ছিল বাবার আপত্তি। কিন্তু থেমে থাকেননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাতুল সিনহা। ফেসবুক-ইউটিউবে ভিডিও কনটেন্ট দেখেন, এমন বেশিরভাগ মানুষের মধ্যেই ‘Ratul Sinha’ একটা জনপ্রিয় নাম। জনজীবন, খাদ্যাভ্যাস, বই, মানুষের আগ্রহ হতে পারে এমন অনেক কিছু নিয়েই কনটেন্ট তৈরি করেন রাতুল। University এর বিভিন্ন বিষয় নিয়েও ভিডিও বানান এই জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার। মজার, বুদ্ধিদীপ্ত, প্রহসনমূলক স্ক্রিপ্ট তৈরিতে রাতুলের জুড়ি নেই। কিন্তু একজন ছাত্র হয়েও কনটেন্ট ক্রিয়েশনে রাতুলের এই সফল পথচলার জার্নিটা আসলে কেমন ছিল? কেমন করে রাতুল অসম্ভবকে সম্ভব করলেন সমস্ত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও? সেসব গল্পই ‘গল্পগ্রাফি’র স্টুডিওতে শোনালেন রাতুল। কনটেন্ট ক্রিয়েশনে ক্যারিয়ার গড়তে চায় কিংবা ইউটিউবার হতে চায়, এমন যে কারোরই শোনা উচিত রাতুলের গল্প। কারণ- রাতুল শুধু একা উড়তে চান না। উড়তে গিয়ে যারা বাধা পায়, তাদের জন্যেও একটা পথ তৈরি করে যেতে চান।